বুধবার, ২ নভেম্বর, ২০২২

একে কি বলে একাকিত্ব নাকি স্বাধীনতা!?


 যখন সকালে ঘুম ভাংগানোর কেউ নেই, রাতে বাড়ি ফিরলে অপেক্ষায় কেউ বসে নেই, তুমি যা মন চায় করতে পারো, কোনো পিছুটান নেই....


একে কি বলে একাকীত্ব নাকি স্বাধীনতা?


.......


আমাদের আশে পাশের অনেক সমস্যা আর জটিলতার মূলে একাকীত্ব। আপনারা এগ্রি করবেন কিনা জানিনা। অল্প বয়সী ছেলে মেয়েরা একাকীত্বের ভয়ে বাজে ফ্রেন্ড সার্কেল ছেড়ে আসতে পারে না। রিলেশনশিপ এ জড়িয়ে যায়। অনেকে এবিউসিভ ম্যারেজ কুইট করতে পারেনা একাকীত্বের ভয়ে। অনেকে একাকীত্ব থেকে পরকীয়ায় জড়ায়। অনেক সুইসাইড, ডিপ্রেশন এবং ড্রাগ রিলেটেড ইসু ট্রিগারড হয় একাকীত্ব থেকে।

অনেকদিন ধরে ভাবছি একাকীত্ব আর এর বিড়ম্বনাগুলো নিয়ে সেই সাথে সমাধানের দিকে যাওয়ার চেষ্টাগুলো নিয়ে লিখবো।


অনেক শিশু ভাই বোনের মধ্যে থেকেও একাকীত্বে ভুগতে পারে, অনেক মানুষ ম্যারিড হয়েও একাকীত্বে ভুগতে পারে। ফ্রেন্ড সার্কেল থেকেও একাকীত্বে ভুগতে পারে।


সিরিজটার নাম কি দেওয়া যেতে পারে বলুন তো?


"And when nobody wakes you up in the morning, and nobody waits for you at night, and when you can do whatever u want. What do you call it, freedom or loneliness?" -Charles bukowski


Artwork by Edward Hopper

রবিবার, ১০ জুলাই, ২০২২

এক অদ্ভুত দীপের গল্প

 ২০১৮ সালের নভেম্বরে জন অ্যালেন চাও নামের ২৬ বছর বয়সী এক আমেরিকান খ্রিস্টান মিশনারি পর্যটক রহস্যময় নর্থ সেন্টিনেল দ্বীপে পা রাখেন। তিনি এখানে আসেন আন্দামান দ্বীপপুঞ্জ অঞ্চলের সাতজন জেলেকে মোটা অঙ্কের ঘুষ দিয়ে। কারণ এ দ্বীপে বিদেশি পর্যটকদের প্রবেশের ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা আছে ভারত সরকারের। কিন্তু সেই ব্যক্তির অভিজ্ঞতা সুখকর হয়নি। তাকে মৃত্যুবরণ করতে হয় সেই দ্বীপবাসীদের হাতে, যাদের ‘সেন্টিনেলিজ’ বলা হয়। তারা অ্যালেনের লাশটাও দ্বীপেই সমাহিত করে। ভারতীয় পুলিশও তার মৃতদেহ উদ্ধার করতে পারেনি। বরং বলা যায়, তারা সেটা করতে চায়নি।  


ভারত সরকার এই দ্বীপবাসীদের বিরক্ত করতে চায় না। রহস্যময় এই দ্বীপবাসীরা সভ্যতার আলো থেকে বিচ্ছিন্ন। তাদের সাথে বহির্বিশ্বের মানুষদের কোনো যোগাযোগ নেই। তাদের ভাষাও আলাদা। তারা কী ভাষায় কথা বলে, কেউ জানে না। এমনকি তারা নিজেদের কী জাতি মনে করে বা দ্বীপটিকে কী নামে ডাকে, সেটাও কেউ জানে না। একবিংশ শতাব্দীর অত্যাধুনিক প্রযুক্তি কম্পিউটার, ইন্টারনেট, ফেসবুক, ইউটিউব সম্পর্কে তাদের কোনো পরিচিতিই নেই। এমনকি কৃষিকাজও করে না তারা। শিকারের মাধ্যমেই খাদ্য সংগ্রহ করে থাকে তারা।


তাদের দ্বীপে বহিরাগত কেউ এলে খুবই আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে তারা। দ্বীপের কাছাকাছি কোনো নৌকা বা জাহাজ যেতে দেখলেই তীর, বর্শা, পাথর উড়িয়ে মারতে থাকে। এমনকি খুন করতেও দ্বিধা করে না। যেহেতু তারা দ্বীপে কাউকে প্রবেশ করতে দেয় না, তাই দ্বীপ সম্পর্কেও খুব বেশি তথ্য জানা যায় না। তাদের সম্পর্কে এখন পর্যন্ত যতটুকু তথ্য জানা গেছে, সবই দূর থেকে নৌকা বা জাহাজ থেকে পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে এবং সেন্টিনেলিজরা যতটুকু কাছে যেতে দিয়েছে, ততটুকু দূরত্ব থেকে।


তারা দ্বীপের জঙ্গল থেকে বন্য প্রাণী শিকার করে আর উপকূলের কাছে মাছ শিকার করে। অন্য আদিবাসীদের মতো তারা বড় নৌকা তৈরি করে না, খুবই সরু ও ছোট ক্যানু তৈরি করে। দুই ধরনের ঘর আছে তাদের। দ্বীপের ভেতরের দিকে বড় কুঁড়েঘর, যাতে একসাথে অনেক জন থাকতে পারে। আবার কিছু ঘর আছে, যেগুলোর শুধু ছাদ থাকে, দেয়াল বা বেড়া থাকে না। এগুলো মাঝে মাঝে সমুদ্রসৈকতের কাছেও দেখা যায়। ছোট ঘরগুলোতে সাধারণত ছোট এক পরিবার থাকে।


রহস্যময় এই দ্বীপটি আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের অধীনস্থ। এটি আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের একটি অংশ। এই দ্বীপগুলো ভারতের মূল ভূখণ্ড থেকে অনেকটা দূরে ভারত মহাসাগরের মাঝখানে ভারত ও মালয় উপদ্বীপের মধ্যবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত। এসব দ্বীপে ভারতীয়দের পাশাপাশি অল্প সংখ্যক স্থানীয় আদিবাসীরা বসবাস করে। এই আদিবাসীদের মধ্যে সেন্টিনেলিজরাও আছে। এই আদিবাসীরা ঐতিহাসিকভাবেই শিকারনির্ভর। অন্য আদিবাসীদের সাথে বহির্বিশ্বের সম্পর্ক স্থাপন সম্ভব হলেও সেন্টিনেলিজদের সাথে এখনো সম্ভব হয়নি। এমনকি তাদের সাথে অন্যান্য দ্বীপের আদিবাসীদের মধ্যেও কোনো যোগাযোগ নেই। সেন্টিনেল দ্বীপটি আয়তনে প্রায় ম্যানহাটনের সমান। সে দ্বীপে তাদের জনসংখ্যা কত, সে সম্পর্কে সঠিক তথ্য নেই। আনুমানিক ১৫ থেকে ৫০০ জন সেন্টিনেলিজ থাকে দ্বীপে। ১৯৯১ সালে প্রথমবারের মতো আদমশুমারিতে তাদের সংখ্যা অন্তর্ভুক্ত করে ভারত সরকার। সেবার আনুমানিক ১১৭ জন হিসাব করা হয়েছিল। ২০১১ সালে মাত্র ১৫ জন যোগ করা হয়। ধারণা করা হয়, অন্তত ৩০ হাজার বছর ধরে তাদের বসবাস এখানে। তবে সভ্যতা থেকে বিচ্ছিন্ন থাকলেও গত ২০০ বছরে একেবারেই যে তাদের সাথে বহির্বিশ্বের মানুষের যোগাযোগ হয়নি তা নয়।


১৭৭১ সালের এক রাতে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির একটি জাহাজ সেন্টিনেল দ্বীপের সামনে দিয়ে যাচ্ছিল। জাহাজ থেকে দ্বীপের কূলের দিকে আলো জ্বলতে দেখা যায়। জাহাজটি সমুদ্র নিয়ে জরিপের কাজে থাকায় সেখানে আর থামেনি। সেন্টিনেলিজরাও তাই আর কোনো প্রতিক্রিয়া দেখায়নি। এরপর প্রায় একশো বছর তাদের সাথে বহির্বিশ্বের যোগাযোগের কথা শোনা যায়নি।


১৮৬৭ সালের গ্রীষ্মের এক দিনে ‘নিনেভাহ’ নামের এক ভারতীয় বাণিজ্য জাহাজ ঝড়ের কবলে পড়ে। জাহাজের ৮৬ জন যাত্রী ও ২০ জন ক্রু সদস্য তখন সাঁতার দিয়ে দ্বীপে গিয়ে আশ্রয় নেয়। তারা সেখানে তিন দিন অবস্থান করে। শুরুতে সেন্টিনেলিজ আদিবাসীরা তাদের সামনে না এলেও তৃতীয় দিনের দিন এসে তীর-ধনুক নিয়ে আক্রমণ করা শুরু করে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যে, তারা ছিল সম্পূর্ণ নগ্ন, নাকে ছিল লাল রঙ মাখানো, তীরের মাথা ছিল লোহার। জাহাজবাসীরাও ছেড়ে কথা বলেনি। তারাও লাঠি আর পাথর দিয়ে আদিবাসীদের আঘাত করতে থাকে। শেষপর্যন্ত ব্রিটিশ রয়েল নেভির একটি জাহাজ এসে নিনেভাহ জাহাজের যাত্রী ও ক্রুদের রক্ষা করে।


এগুলো অবশ্য শুধুমাত্র নিনেভাহ জাহাজের বেঁচে ফেরাদের পক্ষের কথা। তারা যখন দ্বীপে প্রবেশ করে, তখন সেন্টিনেলিজরা কী ভাবছিল, তা কৌতূহলের বিষয়। জাহাজবাসীরা যে তিন দিন সেখানে ছিল, সেন্টিনেলিজরা তাদের গ্রামে নতুন আগন্তুকদের নিয়ে কী আলোচনা করছিল, জাহাজবাসীরাও কোনো সীমা লঙ্ঘনের মতো কাজ করেছিল কি না, সেগুলো কখনো জানা যাবে না। ব্রিটিশরা তখন সেন্টিনেল দ্বীপকে তাদের কলোনির অংশই বিবেচনা করা শুরু করে।

 

১৮৮০ সালে ব্রিটিশ রয়েল নেভির তরুণ অফিসার মরিস ভিদাল পোর্টম্যান আন্দামান ও নিকোবর কলোনির দায়িত্ব নেন। তিনি নিজেকে একজন নৃবিজ্ঞানীও মনে করতেন। ১৮৮০ সালে তিনি নর্থ সেন্টিনেল দ্বীপে প্রবেশ করেন। তার সাথে ছিল ব্রিটিশ নৌবাহিনীর অফিসারদের বিশাল বহর, বৃহত্তর আন্দামান দ্বীপের বন্দিশিবিরের বিভিন্ন আসামী আর স্থানীয় আন্দামানীয় কিছু লোক। তারা গিয়ে দেখেন, সেখানে জনমানবশূন্য এক গ্রাম। বহিরাগতদের দেখে তারা হয়তো দ্বীপের আরো ভেতরে গিয়ে লুকিয়ে ছিল। সম্ভবত এক দম্পতি আর চার শিশু গ্রামবাসীদের থেকে পেছনে পড়ে গিয়েছিল। পোর্টম্যানের অভিযাত্রী দল তাদেরকে আটকে ফেলে এবং দক্ষিণ আন্দামান দ্বীপের উপনিবেশীয় রাজধানী পোর্ট ব্লেয়ারে নিয়ে যায়।


কিন্তু সভ্য সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন থাকায় তাদের শরীরে সাধারণ ফ্লু কিংবা হামের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা থাকার কথা নয়। সেই ছয়জন খুব দ্রুতই অসুস্থ হয়ে পড়ে। দম্পতি মারা যাওয়ায় পোর্টম্যান বাকি চার শিশুকে সামান্য কিছু উপহার দিয়ে দ্বীপে রেখে চলে আসেন। চার শিশুর কী হয়েছিল, তা জানা যায়নি। তারা গ্রামে গিয়ে রোগ ছড়িয়ে দিয়েছিল কি না, তা-ও জানা যায়নি। তবে তা হওয়ার সম্ভাবনা ছিল ভালোই। আর যদি তা হয়েই থাকে, তাহলে সেন্টিনেলিজরা কেন এখনও তাদের দ্বীপে বহিরাগতদের ঢুকতে দেয় না, সেটা অনুমান করা কঠিন কিছু নয়।


১৮৯৬ সালে আন্দামান দ্বীপের জেল থেকে এক আসামী পালিয়ে সেখানে যায়। কিন্তু সে তো আর জানত না, জ্বলন্ত আগুন থেকে ফুটন্ত তেলের মাঝে গিয়ে পড়েছে! উপনিবেশীয় এক সার্চ পার্টি কিছুদিন পর তীরে বিদ্ধ গলাকাটা সেই আসামীর লাশ খুঁজে পায় সমুদ্রে। ব্রিটিশরা তখন সিদ্ধান্ত নেয়, সেন্টিনেলিজদের আর বিরক্ত না করার।


ভারত স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৬৭ সালে সরকারের পক্ষ থেকে নৃবিজ্ঞানী ত্রিনক নাথ পণ্ডিত তার একটি দল নিয়ে সেই দ্বীপে যান। তারাও সেখানে গিয়ে পোর্টম্যানের মতো খালি গ্রাম দেখতে পান। তারা এত দ্রুত পালিয়ে গিয়েছিল যে, তাদের বাড়ির সামনে তখনো আগুন জ্বলছিল। পণ্ডিত আর দল তখন সেন্টিনেলিজদের জন্য কিছু উপহার রেখে যান। এগুলোর মধ্যে ছিল কাপড়, চকলেট, প্লাস্টিকের বালতি ইত্যাদি। অন্যদিকে পণ্ডিতের দলের সাথে থাকা ভারতীয় নৌবাহিনীর অফিসার আর পুলিশ সদস্যরা সেন্টিনেলিজদের তীর-ধনুক আর কিছু ব্যবহার্য জিনিস চুরি করে নিয়ে এসেছিল। নৃবিজ্ঞানীদের প্রতিবাদ সত্ত্বেও তারা এগুলো নিয়ে আসে। সেন্টিনেলিজরা হয়তো সেটাও পছন্দ করেনি।


পণ্ডিত তার সহকর্মীদের সাথে তারপরও বিভিন্ন সময়ে সেন্টিনেলিজদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা অব্যাহত রাখেন। তারা ডিঙ্গি নৌকা নিয়ে দ্বীপের কাছাকাছি স্থানে গিয়ে বিভিন্ন সময়ে উপহার দিয়ে আসতেন। দ্বীপের নিকটবর্তী পানিতে নারিকেল ও অন্যান্য খাবার ভাসিয়ে দিতেন। কিন্তু তাদের পক্ষ থেকে কোনো ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। একবার তাদের একটি শূকর আর পুতুল উপহার দেওয়া হয়েছিল। তারা শূকরটিকে তীরবিদ্ধ করে মেরে মাটিতে পুঁতে ফেলে। পুতুলটিও একইসাথে পুঁতে ফেলে। তবে তাদের ধাতব পাত্রের প্রতি আগ্রহ দেখা যায়। এছাড়াও ধীরে ধীরে তারা নারিকেলের প্রতি আগ্রহী হয়, যা তাদের দ্বীপে জন্মায় না। এভাবে ২৫ বছর চলে যায়, সেন্টিনেলিজদের সাথে কোনো সরাসরি যোগাযোগ হয় না। কিন্তু পণ্ডিত মনে করছিলেন, তারা সেন্টিনেলিজদের আস্থা অর্জন করছিলেন।


পণ্ডিতের অভিযানগুলোর মাঝেই বিভিন্ন সময়ে সেন্টিনেলিজদের আক্রমণের ঘটনা ঘটে। ১৯৭৪ সালে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের একটি ডকুমেন্টারির ভিডিও ধারণের সময় সেন্টিনেলিজদের আক্রমণের শিকার হন। ১৯৭৫ সালে নির্বাসনে থাকা বেলজিয়ামের রাজা তৃতীয় লিওপোল্ড সেন্টিনেল দ্বীপের কাছে ভ্রমণ করতে এলে তিনিও আক্রমণের শিকার হন। ১৯৮১ সালে ‘প্রিমরোজ’ নামের পানামার এক কার্গো জাহাজ সেন্টিনেল দ্বীপের কাছে প্রবালে আটকে যায়। জাহাজের ২৮ জন ক্রু তখন সেন্টিনেলিজদের আক্রমণের শিকার হয়। তারা জাহাজ ভাঙা শুরু করে এবং ধাতব অংশগুলো নিয়ে যায়, সম্ভবত অস্ত্র বানানোর জন্য। জাহাজের ক্রুদের বিপদ থেকে রক্ষা করার জন্য দ্রুত হেলিকপ্টার চলে আসে। এসবের মাঝেও পণ্ডিত দুয়েকমাস পর পর তার অভিযান অব্যাহত রাখেন।


অবশেষে ১৯৯১ সালের এক দিন সেন্টিনেলিজরা প্রথমবারের মতো অস্ত্র ছাড়া পণ্ডিতের দলের সামনে আসে। তারা এসে নৌকার কাছ থেকে নারিকেল নিয়ে যায়। এতটা কাছে এর আগে কখনো তারা আসেনি। তবে এর মানে এই নয় যে, তারা বহিরাগতদের সাথে বন্ধুত্ব করতে চেয়েছিল। এর কয়েক সপ্তাহ পর পণ্ডিত তার দল নিয়ে আবার গেলে সেন্টিনেলিজ এক লোক তাদের দিকে অস্ত্র তাক করে বুঝিয়ে দেয়, এটা শুধুই তাদের এলাকা। ১৯৯৬ সালে ভারত সরকার এখানে অভিযান বন্ধ করে দেয়।


২০০৪ সালে সুনামির সময় ভারতীয় কোস্টগার্ড হেলিকপ্টার দিয়ে টহল দিতে যায়, সেখানে তারা ঠিক আছে কি না, দেখতে। আশ্চর্যজনকভাবে তারা সুনামি থেকে রক্ষা পায় বলেই মনে হয়। হেলিকপ্টার দেখে তারা তীর ছুঁড়ে মারার জন্য চলে আসে।  


সেন্টিনেলিজদের সাথে কি বাইরের দুনিয়ার বন্ধুত্ব সম্ভব? সমস্যা হচ্ছে বন্ধুত্ব একদিক থেকে হয় না। অ্যালেন চাওয়ের ঘটনার আগে ২০০৬ সালেও অবৈধভাবে মাছ ধরতে যাওয়া জেলেদের প্রাণ দিতে হয়েছিল সেন্টিনেলিজদের হাতে। এটা স্পষ্ট যে, তারা তাদের মতো থাকতে চায়, কারো সাথে বন্ধুত্ব করার ইচ্ছা নেই তাদের। তাদের বিরক্ত না করলে তারাও অন্যদের নিয়ে মাথা ঘামায় না। তাই বিশেষজ্ঞরা মতামত দিয়েছেন, তাদেরকে তাদের মতোই থাকতে দেওয়া হোক।


তাছাড়া তাদের পাশের দ্বীপগুলোতে ব্রিটিশরা কলোনি স্থাপন করার পর সেখানকার আদিবাসীরা বিলুপ্ত হয়ে গেছে। তারা এখনো টিকে আছে হয়তো বিচ্ছিন্ন থাকার কারণেই। এ দ্বীপে জোর খাটিয়ে প্রবেশ করতে হলে সেন্টিনেলিজদের ওপর আক্রমণ করেই ঢুকতে হবে। আর তা হবে খুবই অমানবিক। তবে এ দ্বীপ নিয়ে বহির্বিশ্বে কৌ


তূহলের শেষ নেই, হয়তো এখানেই লুকিয়ে আছে সেন্টিনেলিজদের আড়ালে কোনো এক গোপন সভ্যতা!


লেখকঃ কামরুজ্জামান অমিত (রোয়ার মিডিয়া)

শনিবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২২

"টান"/" Taan" মুভি লিংক। অসাধারণ একটি মুভি..


 একজন ড্রাগ অ্যাডিক্টেড- যে একই সাথে পাগল প্রেমিক, আবার একই সাথে এবিউজার- যার পৃথিবী দুলছে নেশা আর ভালোবাসার যুগলবন্দীতে, এমন ক্যারেক্টারের সাথে সিয়ামের একাত্ম হওয়ার চেষ্টাটা আলাদা করে নজর কাড়তে বাধ্য। 'টান' এর টিজারে সিয়াম আহমেদ আক্ষরিক অর্থেই নিজেকে নতুন করে চিনিয়েছেন দর্শকদের।


সিয়াম আহমেদ নিজেও জানেন, অভিনয়ের মতো পারফর্মিং আর্টে এখনো তার অনেক শেখার বাকি। কিন্তু এই মানুষটার 'ইন্টেন্ট', 'এফোর্ট' কীভাবে অস্বীকার করা যায়? অস্বীকার করার উপায় নেই তো! সিনিয়র অভিনেতাদের কাছে গিয়ে অ্যাক্টিং সেশন করছেন, দেশ-বিদেশের অজস্র সিনেমা-সিরিজ নিয়মিত দেখছেন, তার মতো করে চেষ্টা করছেন ভালো কিছু করার। অন্তত স্রোতে গা ভাসিয়ে দেননি।

একজন সিয়াম আহমেদ তার এই চেষ্টার জায়গায় সৎ থাকুন, এটিই প্রত্যাশা।


ওয়েবসাইট লিংক -- https://watching.followingbook.com/search?keyword=Taan+movie


লিংক ২ঃ moviesfreak4u.host/movies/taan




ড্রাইভ লিংক -টান ফুল মুভি HD

https://drive.google.com/file/d/1sLQX9DV0ynlZMvzk6ZlhkRLwiRlYRMgP/view?usp=drivesdk

শুক্রবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২১

How naughty we are to impress people

 (1)


 Almost all of us know about the meeting of two women with Musa (peace be upon him) in Madyan.


 They came to water their goat from a well.  He came to the well and saw that many men were drawing water from the well for their own needs.  Since there were a lot of men coming to the well, the two of them thought it would be better to wait at a distance instead of going to the well.  As soon as the men left, they decided to go to the well.


 But over time, that is likely to change.  The two women also stood and waited.


 The matter came to the notice of Musa Alaihis Salam.  He realized that the two girls were not coming to the well because of the anagona of the men.  Again, they did not understand that they have been standing for a long time  What can be done in this situation?


 Moses (peace be upon him) decided that he would rather bring water to the goats of the two women.  By doing this, they don't have to come among the men anymore, they don't have to stand away and count the waiting hours.


 The work that you think.  Moses (peace be upon him) brought water to their goats at his own risk.


 We also know the following story: The girls did not forget to tell the story of the help of Musa (peace be upon him) to their father.  The father of the girls wanted to reward such a benevolent servant of God  He sent for Musa (peace be upon him).


 When the girls came in front of their father, one of the girls said to their father, 'Father, you better hire this man.  You should hire people who are strong and capable '.  - Surah Al-Qasas, verse 26


 The meeting of the two girls with Musa (peace be upon him) is but momentary.  How did they realize in such a short time that Musa (as) was a strong and faithful man, without any previous identity?


 There is a beautiful explanation in the commentary.  The well from which Musa (peace be upon him) watered the two goats had a heavy iron lid on the mouth of the well.  It would have been difficult for ten people to move the lid together.  But, the two girls saw that Musa Alaihis Salam removed the heavy lid alone and made water!  Seeing this, they realized that this man must be a strong man.


 However, how did he know that he was faithful?


 The commentators also said: On the way to the girls' house, Musa (as) said to the two girls, "I walk first, you follow me."  If I start going the wrong way, you will just throw a stone and show me the right way '.


 Do you know why Musa Alaihis Salam wanted to walk before the girls?  Because if he follows the girls, then Satan will want to focus his attention on the girls again and again.  The Prophet Moses (peace be upon him) wanted to walk earlier that day to avoid the whisperings of the devil and to guard his eyesight, even though he did not know the way to their house at all.


 The man who is so diligent in guarding his character, his gaze, who hides his gaze from lonely women in this way, will be faithful.  So, the thinking of the women was not in vain.


 (2)


 I think: What a wonderful example Moses left for us in today's world of show-offs!


 Nowadays we do not try to show our quality to others, to show it to others!  I know a lot of guys who wear expensive clothes, buy expensive models of bikes, go to expensive restaurants to impress their girlfriends.  There are many girls who have the same thoughts all day long - how to impress their boyfriend more, how to make him more fascinated, more fascinated by his looks and qualities.  I've heard stories like this: The boy goes to the gym and works hard to build a six-pack body, because he likes his girlfriend's six-pack body.


 However, Musa (peace be upon him) did not rush to impress the two girls but to water their goats.  He wanted to impress only Allah Subhanahu wa Ta'ala.  He has kept his vision as a provision of Allah.  If he let the two girls go ahead, he may have trouble keeping his eyesight, he may be overcome by the whisperings of the devil - out of this fear he wants to go ahead.


 This is to work only to impress Allah, to hold fast to the commandments of Allah with love, to always strive to abide by them কী what did Musa (peace be upon him) get in return for all this?


 He came to Madyan in a state of complete helplessness.  There was no shelter, no provision of food.  However, due to this incident, Allah (swt) gave him shelter in the house of a pious servant.  According to some commentators, the father of the two girls was also a prophet of God.  Not only did Musa (as) find refuge, but he also got one of the two girls as his life partner.


 He has used his power for the benefit of the people.  He did this only to please God.  Even in his helpless, chaotic state, he did not forget his character, the care of his eyes.  As a reward for all this, he got a good shelter, a good life partner and a good guardian (his father-in-law).


 In the world of show off, those of us who die trying to impress others, what do we really get at the end of the day?  And Musa (peace be upon him), whose vow was only to please Allah, to gain Allah's pleasure, tell me what he did not get?


 'Lessons of life taken from Quran-09'


https://youtu.be/f3yM7F-aL9k



বুধবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২১

একটি জীবনের সহজ সুত্র..যে যেখানে যেমন,,,,অসাধারণ গল্প

 ৮ বছরের একটা বাচ্চা ছেলে ১ টাকার একটা কয়েন হাতে নিয়ে দোকানে গিয়ে বললো,

-- আপনার দোকানে কি আল্লাহকে পাওয়া যাবে?


দোকানদার একথা শুনে কয়েনটি ছুড়ে ফেলে দিয়ে তাড়িয়ে দিলো ছেলেটিকে।


ছেলেটি পাশের দোকানে গিয়ে ১ টাকা দিয়ে চুপচাপ দাঁড়িয়ে রইলো!


-- এই ছেলে.. ১ টাকা দিয়ে কি চাও তুমি?

-- আমি আল্লাহকে চাই। আপনার দোকানে আছে?


দ্বিতীয় দোকানদারও তাড়িয়ে দিলো।


কিন্তু, অবুঝ ছেলেটি হাল ছাড়লো না। একটার পর একটা দোকানে ঘুরতে লাগলো। ঘুরতে ঘুরতে চল্লিশটা দোকান ঘোরার পর এক বয়স্ক দোকানদার জিজ্ঞাসা করলো,


-- তুমি আল্লাহকে কিনতে চাও কেন? কি করবে আল্লাহকে দিয়ে?


এই প্রথম কোন দোকানদারের মুখে এরকম প্রশ্ন শুনে ছেলেটির চোখেমুখে আশার আলো ফুটে উঠলো৷ নিশ্চয়ই এই দোকানে আল্লাহকে পাওয়া যাবে! হতচকিত কণ্ঠে উত্তর দিলো,


--আমার তো বাবা নাই, এই দুনিয়াতে আমার মা ছাড়া আর কেউ নাই। আমার মা সারাদিন কাজ করে আমার জন্য খাবার নিয়ে আসে। আমার মা এখন হাসপাতালে। মা মরে গেলে আমি খাবো কি? ডাক্তার বলেছে, একমাত্র আল্লাহই পারে আমার মাকে বাঁচাতে। আপনার দোকানে কি আল্লাহকে পাওয়া যাবে?


--হ্যাঁ পাওয়া যাবে...! কত টাকা আছে তোমার কাছে?


--মাত্র এক টাকা।


--সমস্যা নেই। এক টাকাতেই আল্লাহকে পাওয়া যাবে।


দোকানদার বাচ্চাটির কাছ থেকে এক টাকা নিয়ে খুঁজে দেখলো এক টাকায় এক গ্লাস পানি ছাড়া বিক্রি করার মতো কিছুই নেই। তাই ছেলেটিকে ফিল্টার থেকে এক গ্লাস পানি ধরিয়ে দিয়ে বললো, এই পানিটা খাওয়ালেই তোমার মা সুস্থ হয়ে যাবে।


পরের দিন একদল মেডিকেল স্পেশালিষ্ট ঢুকলো সেই হাসপাতালে। ছেলেটির মায়ের অপারেশন হলো। খুব দ্রুতই তিনি সুস্থ হয়ে উঠলেন।


ডিসচার্জ এর কাগজে হাসপাতালের বিল দেখে মহিলার অজ্ঞান হবার মতো অবস্থা। ডাক্তার উনাকে আশ্বস্ত করে বললো, "টেনশনের কিছু নেই। একজন বয়স্ক ভদ্রলোক আপনার সব বিল পরিশোধ করে দিয়েছেন। সাথে একটা চিঠি দিয়েছেন"। 


মহিলাটি চিঠি খুলে পড়ে দেখলো তাতে লেখা-

"আমাকে ধন্যবাদ দেওয়ার কোন প্রয়োজন নেই। আপনাকে তো বাঁচিয়েছেন স্বয়ং আল্লাহ... আমি তো শুধু উসিলা মাত্র। বরং ধন্যবাদ দিলে দিন আপনার অবুঝ বাচ্চাটিকে। যে একটাকা হাতে নিয়ে অবুঝের মতো আল্লাহকে খুঁজে বেড়িয়েছে। তার বুকভরা বিশ্বাস ছিলো, একমাত্র আল্লাহই পারে আপনাকে বাঁচাতে। এর নামই বিশ্বাস... এর নামই ঈমান। আল্লাহকে খুঁজে পেতে কোটি টাকা দান খয়রাত করতে হয়না, বিশ্বাস নিয়ে মন থেকে খুঁজলে এক টাকাতেও পাওয়া সম্ভব।


(সংগ্রহীত)


শনিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২১

কিছু গুরুত্বপূর্ণ জীবন-সম্পর্কীত কথা।

 চেহারার সৌন্দর্য নষ্ট হয় চারটি কারণে :

১। মিথ্যা বলা।
২। দুরাচারী হওয়া ।
৩। অনর্থক প্রশ্ন করা।
৪। পাপাচারে লিপ্ত হওয়া।

চেহারায় সৌন্দর্য আসে চারটি কারণে :
১। তাকওয়া।
২। বিশ্বস্ততা।
৩। মহানুভবতা।
৪। অনুগ্রহ।

শরীর অসুস্থ হয় চারটি কাজ করলে :
১। অতিরিক্ত কথা।
২। অতিরিক্ত ঘুম।
৩। অতিরিক্ত খাওয়া।
৪। অতিরিক্ত সহবাস (বা হস্তমৈথুন)।

শরীর ধ্বংস হয় চারটি কারণে :
১। দুশ্চিন্তা।
২। দুর্দশা।
৩। ক্ষুধা।
৪। রাত জাগা।

রিজিকে বারাকাহ আসে চারটি কারণে :
১। কিয়ামুল লাইল তথা রাত্রিকালীন সালাত-(তাহাজ্জুদ)
২। ভোররাতে ইস্তিগফার-(তওবা)
৩। ধারাবাহিক দান-সাদাকাহ।
৪। রাতদিন জিকির।

রিজিক সংকীর্ণ হয় চারটি কারণে :
১। ফজরের পর ঘুম।
২। সালাতে অনভ্যস্ততা।
৩। অলসতা।
৪। খেয়ানত ও অসততা।

- ইমাম ইবনুল কাইয়িম রাহিমাহুল্লাহর কথাগুলো সত্যিই মুগ্ধকর।


কারো চোখের পানি, শূন্যে তাকিয়ে ফেলা দীর্ঘশ্বাস, আল্লাহর দরবারে আপনার বিরুদ্ধে ফেলা এক ফোঁটা অশ্রুর ব্যাপারে ভয় করুন।
আপনি যেন কারো রাতের অন্ধকারে আল্লাহর দরবারে হাত তোলা(বদ দোয়ার) কারণ না হোন। আপনি যেন কারো অনবরত অভিশাপের কারণ না হোন।💔

কাউকে ঠকিয়ে, কারো সাথে প্রতারণা করে, কাউকে ফাঁসিয়ে, কারো উপর গায়ের জোর চাপিয়ে, কারো উপর ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে, জুলুম করে, ক্ষনিকের জন্য জিতে গিয়ে ভাববেন না আপনি জিতে গিয়েছেন। আল্টিমেটলি আপনি একজন লুজার।

আল্লাহ মাজলুমের দোয়া কবুল করেন, অবশ্যই করেন।

আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "তোমরা মাজলুমের দোয়ার ব্যাপারে সতর্ক থাকো। কেননা মহান আল্লাহ ও তার দোয়ার মাঝে কোনো পর্দা থাকে না।" (বুখারী, হাদিস : ১৪৯৬)❤️


জীবিত থাকতে আমরা আমাদের অভিভাবকদের অভাবটা যতটা না বুঝতে পারি তারচে বেশি বুঝতে পারি যখন তারা থাকেন অনুপস্থিত! চাচা আবু তালিব মারা যাবার পর প্রথমবার কুরাইশরা রাসুলুল্লাহ সাঃ এর সাথে খারাপ ব্যবহার করে, কুবাক্য দিয়ে আঘাত করে, গায়ে মাটি ছুঁড়ে মারে। আহ্!
বেদনাভরা অন্তরে মহানবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতে থাকেন,"হে চাচা,কত দ্রুতই না আপনার অভাব অনুভব করছি!!"

বাবা,মা,স্বামী সকলের শাসন তখন মনে পড়ে যখন আসলেই আর তারা থাকেনা। শৈশব থেকে এযাবত কত শত বিষয় রয়েছে যা নিয়ে মন খারাপ করেছি,বাবা মায়ের সিদ্ধান্তে কষ্ট পেয়েছি, জোরপূর্বক জীবনে কত ঘটনা ঘটেছে। অথচ যা কিছুই তারা করেছেন সেটা উত্তম ভেবেই করেছেন।

বাবা না থাকলে একটা ছেলে বুঝতে পারে বাস্তবতা কি জিনিস,সংসারের সকল দায়িত্ব যখন কাঁধে উঠে তখন ছেলেটা বুঝতে পারে বাবা কত মেহনত করে গেছেন।
শ্বশুরবাড়িতে আগুনের পাশে গরমে তাপ সইতে গেলেও একটা মেয়ে বুঝতে পারে মা কিভাবে একা সংসারের সবকিছু ম্যানেজ করতো, প্রতিটি ধাপে ধাপে সে ফিল করতো বাবা মায়ের কাছে সে কতটা নিশ্চিন্ত জীবনযাপন করেছে। একজন বিধবাই শুধু জানে স্বামী জীবনের কতখানি জুড়ে ছিলো!

আহারে কত সহজেই না আমরা অভিযোগ তুলি, কত সাবলীলভাবে বলে দেই তুমি আমার জন্য করেছো'টা কি? কি!!!

- আশফিকা নওশিন



এই যে দিনের পর দিন সালাত আদায় করছি না, পর্দা করছি না আল্টিমেটলি ঠকাচ্ছি কাকে?

আজ যেই ছেলেটা কিংবা মেয়েটার উপর ভরসা করে আপনি আপনার ইসলামকে ছেড়ে দিয়েছেন। আপনার মৃত্যুর পর দূরে থাক ব্রেকআপ হওয়ার পরই আপনার খোঁজ নিবে না? আপনি যেই রাস্তা দিয়ে আসছেন সে দেখা মাত্র সেই রাস্তা দিয়ে আর আসবে না। আর আপনি তার উপর ভরসা করে আপনার রবকে ভুলে বসে আছেন!

আপনি সালাত আদায় না করলে, পর্দা না করলে, হারাম থেকে বেঁচে না থাকলে এই সমাজ কিংবা জাতির কিছু যায় আসে না। আল্টিমেটলি মৃত্যুর পর আপনাকেই জবাবদিহি করতে হবে। মৃত্যুর পরের জার্নিতে আপনার সহচর কেউ হবে না!

আজ যেই ফ্রেন্ডদের পাল্লায় পড়ে আপনি আপনার আসল গন্তব্য ভুলে গিয়েছেন। মজা-মাস্তি, নারী, সিনেমার জগতে ডুবে গিয়েছেন আসলে তারা কেউই আপনার আসল বন্ধু নয়? মৃত্যুর পর তারা কেউ আপনাকে আর মনে রাখবে না! আল্টিমেটলি আপনি তাদের সাথে তাল মিলিয়ে নিজেকে ঠকাচ্ছেন?



তিনটি বিষয় নিয়ে কখনো বেশী চিন্তা করবেন না:

(১) আপনার উপর জুলুম হয়েছে, কষ্ট দিয়েছে, আপনার সাথে অন্যায় হয়েছে, সেটা নিয়ে বেশী ভাববেন না। তাহলে আপনার অন্তর কঠোর হয়ে যাবে, হিংসা-বিদ্বেষ বেড়ে যাবে, ক্রোধ দীর্ঘস্থায়ী হবে।

(২) অভাব নিয়ে চিন্তা করবেন না। তাহলে আপনার দুশ্চিন্তা ও দুর্দশা বেড়ে যাবে, অন্তরে লোভ তৈরী হবে।

(৩) দুনিয়ায় দীর্ঘদিন বেঁচে থাকার আশা করবে না। তাহলে জীবন নষ্ট হয়ে যাবে, আজ নয় কাল নেক আমল করবো, এই চিন্তায় থাকতে থাকতে মৃত্যুর ফেরেশতা এসে যাবে।

(তানবীহুল গাফেলীন, পৃ: 572)
#GetConnectedWithAllah ✨🖤

শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১

যা "The Kiss of Life' নামে পরিচিতি পায়।

 জীবন বাঁচানোর প্রচেষ্টার এই ছবিটি ১৯৬৭ সালে তুলেছিলেন ফটোগ্রাফার Rocco Morabito যা পরে  'The Kiss of Life' নামে পরিচিতি পায়। 



Randall Champion নামের একজন লাইনম্যান হাই ভোল্টেজ বিদ্যুতের লাইন স্পর্শ করে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। সেফটি হার্নেস থাকায় খুঁটিতে উল্টো হয়ে ঝুলতে থাকেন। 


এসময় তার সহকর্মী J.D. Thompson তার হার্ট বন্ধ হয়ে যাচ্ছে টের পেয়ে প্যারামেডিকরা না আসা পর্যন্ত প্রাথমিক চিকিৎসা হিসেবে মাউথ টু মাউথ CPR ( Cardio Pulmonary Resuscitation ) দিতে থাকেন।  


থম্পসনের তড়িৎ সিদ্ধান্তের কারণে শেষ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন বেঁচে যান। 


কাজে যাওয়ার পথে আকস্মিক এই ঘটনার ছবি তুলে পুলিৎজার পুরস্কার পান ফটোগ্রাফার। চ্যাম্পিয়ন ২০০২ সালে মারা যান, থম্পসন এখনো বেঁচে আছেন।


পুনশ্চ : আমরা কি স্কুল-কলেজে এখনও বাচ্চাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পদ্ধতি হাতেকলমে শিখাতে পেরেছি?


(সংগৃহীত)

শনিবার, ৩ জুলাই, ২০২১

Bill Gates girl fell in love with the Muslim youth

 Jennifer, the eldest daughter of Bill Gates, the world's richest man, and Nayel Nasser, an ordinary Muslim young man, the love story of Jennifer-Nasser is like a fairy tale.  And like ten ordinary people, their love began in a very ordinary way.


 Niall Nasser met Jennifer Gates while studying at Stanford University in California.  Both of them were very interested in horse racing.  It's because of this interest that the two come closer.  Together they also took part in various horse races.  In this way, Nasser gradually took place in Jennifer's mind.


 Nasser graduated in economics from Stanford University in 2013.  She returned to the university in 2016 to help Jennifer with her human biology.

 Jennifer and Nasser exchanged rings earlier this year.  They are going to tie the knot very soon.


 Born in Chicago, Illinois, USA, Nasser grew up in Kuwait.  Nasser has a unique role to play in helping Egypt reach the finals of the 2020 Olympics (Tokyo) almost 70 years later.


 In 2016, for the first time, Nasser posted a picture with Jennifer on Instagram.  They were seen spending a beautiful moment in that photo of Valentine's Day celebrations in Florida.


 Not only horse racers, Nayel Nasser also has a business in San Diego, California.  Jennifer-Nasser will start her family there after marriage.




From Rakhal to the Governor of Bangladesh Bank - 150 rupees that loan has not been repaid even today!

 I was born in Ajparagaon of Jamalpur district.  We had to go to a town 14 km away on foot or in Sa.


 Ride alone.  My uncle Mofizuddin was the only metric pass in the whole village.  My father is a very poor landless farmer.  We are five brothers, three sisters.  We used to spend our days without eating.


 My grandfather's financial situation was fair.  But he did not let my father stay in his house.  We had so many siblings and parents living in a hut a short distance from my grandfather's house.  The mother received a small portion of the grandfather's property from her father's house.  Three bighas of land were bought in it.  In that land which was unsuitable for cultivation, what my father used to grow with great difficulty, he used to gather food for 5/6 months in a year.  What poverty is, I have come to realize - there is no food, no clothes to wear;  What a situation!


 My mother was little educated.  He is the key to my studies.  Then I was admitted to the primary school next to my house. But my family was so deprived that when I got up to the third grade, I did not have the opportunity to continue my studies.  The elder brother left school earlier and went to work.  I also had to leave school to earn a living.


 We had a cow and a few goats.  I grazed them in the field from morning to evening.  In the afternoon I would go to the market and sell cow's milk.  In this way, the two brothers were spending their days on what they used to earn.  After a while, I went to a pan-bidi shop with eight rupees saved from the sale of milk.  I used to sit in the shop every day from morning till evening.  Study tobandhai, I will do at all - that was not a dream!


 One afternoon the elder brother said, there will be a drama on the school field today.  I clearly remember, I didn't have any clothes to wear then.  After Khaliga and Lungi, I went to see the drama with my brother.  Arriving at school, I was shocked!  All around is such a colorful and wonderful environment!  I thought I could be like everyone else.  I decided that what I really needed to do was learn how to do it right.


 On the way home after watching the drama, I told my elder brother, can I not come back to school?  My brother remembered what I was saying, whether it was because of the way he spoke or because of his sad look or for some other reason.  He said, "Okay, I'll talk to the headmaster tomorrow."


 The next day the two brothers went to school again.  The older brother made me stand outside the headmaster's room and went inside.  I can hear clearly from outside, the brother says that I should be given the opportunity to participate in the annual examination.  But the headmaster said in a contemptuous manner, what is studied with everyone!  My head went down when I heard Sir's words.  As much as I went to school with hope, all fell to dust in one word of Sir.  However, my elder brother insisted on getting permission to give me the exam. There were only three months left for the exam.  When I returned home, I told my mother that I had to take three months off.  I will not stay here.  Because there is no food in the house, no clothes to wear - I don't have any books, but I have to pass the exam.


 Mother said, where to go?  I said, I will go to the house of my one-time classmate and now the first boy of the class, Mozammel.  I have an acquaintance with his mother.  In the few days I've talked, I've been a very good person.  I believe he can't bring me back.


 I went to Mozammel's house in a daze.  Khalamma gladly agreed to open everything.  My food and shelter were gathered;  A new life began.  I started studying anew.  I immediately remembered the contemptuous words of the headmaster, as if he had acted stubbornly;  Let's study better.


 The test started on time.  I'm finishing one test at a time and I'm getting more and more excited.  My confidence is also increasing. On the day the results were announced, I went to school and sat in the first row.  The headmaster brought the results.  I noticed that he was hesitant to read.  He is looking at me sideways.  Then announced the results.  I was the first!  Hearing the news, the elder brother cried with joy.  I'm just impassive - as if that was supposed to happen.


 On the way home he saw an unprecedented scene.  My brother and I are walking proudly.  And in the back, a group of children are shouting slogans at us.  The whole village responded!  My illiterate father, to whom the first and the last are the same, is also overjoyed;  He just realized that the boy had done something special.  When he heard that I had gone upstairs to buy a new boila, he took the khasita of the house to the market the next day and sold it for 12 rupees.  Then he went to Jamalpur with me. I bought a new book from Nabnoor Library there.


 My life has changed completely now.  I go to school every day.  I do household chores in my spare time.  I have already fallen in love with Sir.  Fayez Maulvi Sir began to look after me like his child.  Everyone's caress, care, affection, I was the first to rise to the fifth grade.  Uncle Mofizuddin, the only metric pass in the village so far, looked for me.  I took refuge in his house.


 After completing my primary education, I was admitted to Dighpait Junior High School.  Uncle is the teacher of that school.  Other teachers also spoke of my struggle.  So I got extra caress and love from everyone.


 When I passed the seventh grade and went to the eighth grade, one day my uncle cut an advertisement and showed it to me.  That was the advertisement for admission in cadet college.  I filled the form and sent it in time.  Needless to say, my name was Ataur Rahman.  But on the admission form of the cadet college, the headmaster of the school wrote my name Atiur Rahman and told my uncle that something big would happen to this boy one day.  There are many Ataurs in the country.  His name needs to be a little different;  So I did Atiur.


 I woke up at night to study and prepare.  I went to take the test with my uncle on the appointed day.  That was the first time in my life to go to Mymensingh.  Go and see everything in the eye charakagacha!  Out of so many boys, I came only in pajamas and sponge! I thought it was better not to come.  I suffered unnecessarily.  I took the test anyway;  I didn't think so.  But after two months of correspondence, I was elected.  Now I have to go to Dhaka Cantonment for the final exam.


 Everyone is very happy;  Only I am disappointed.  I don't have any pants, I'll go later.  At the end, I borrowed the full pants of the school clerk Kanai Lal Biswas.  I got another shirt.  Uncle and I left for Dhaka.  Uncle taught me to take the oral test and stand at the door and say: Ma I come in sir?  That's right.  But I spoke so loudly that everyone present laughed out loud.


 Mirzapur Cadet College principal M. one of the examiners.  W.  Pete stared at me from head to toe.  He sat me down with absolute affection.  In a moment he became very close to me.  I thought, I have no fear if he is.  Pete Sir looked at my written test book.  Then he talked to other examiners in English.  Although I didn't understand everything, I could guess that I liked them.  However, they did not say anything. The next day I returned home after visiting Dhaka city.  I concentrated on my studies as usual.  Because I have assumed, I will not have a chance.


 Suddenly the letter came three months later.  I was finally elected.  It will cost 150 rupees per month.  Of this, 100 rupees will be given as scholarship, the remaining 50 rupees will have to be provided to my family.  I was heartbroken after reading the letter.  Where my family can't afford to eat three meals a day, I'm living in my uncle's house, I can't even think of paying 50 rupees a month!


 When this was the case, for the first time, my grandfather became vocal.  After so many years, he looked for his grandson (me).  He took me to another uncle and said, "Can't my grandson study even if I have such a good opportunity?"  But their condition was not very good.  They said, I will collect 50 rupees at least once, but it is not possible every month.  Grandpa also understood the matter.


 I did not see any more light of hope and went to that Fayez Maulvi Sir.  He said, I will not worry about staying.  The next day he went to the market with two more colleagues and me.  He went to the shops to get towels. He asked everyone for help.  Everyone gave eight annas, four annas, one taka, two takas as much as they could.  In all, it was 150 rupees.  And the uncle gave 50 rupees.  With this little money I was admitted to Mirzapur Cadet College.  Excluding travel expenses, I paid three months salary at 150 rupees.  Another life began.


 M. on the first day.  W.  Pete Sir came to see me.  I said everything openly.  I also informed that since I could not afford the salary, I had to leave the cadet college after three months.  After hearing all, Sir took my matter to the board meeting and arranged a scholarship of 150 rupees.  Since then I have not had to look back.  In the SSC examination, I got the fifth position in the Dhaka board and many more successes were added.


 My life is full of donations from ordinary people.  Later I went to school and college in my area.  When we help as much as we can, we also cooperate.  But 150 rupees taken from that market;  That debt has not been repaid even today.  Even if I sacrifice my whole life, that debt will not be repaid!


 Dr.  Atiur Rahman




https://www.facebook.com/1171870950/posts/10208576972879750/?sfnsn=mo



শনিবার, ২৬ জুন, ২০২১

বিকাশের পিন ভুলে রিসেট করবেন যেভাবে?

 বিকাশের পিন ভুলে রিসেট করবেন যেভাবে


পিন ভুলে গেলে বা কয়েকবার ভুল পিন দেওয়ার কারণে বিকাশ অ্যাকাউন্ট ব্লক হয়ে গেলে এখন নিজেই নিজের বিকাশ অ্যাকাউন্টের তথ্য যাচাই(ভেরিফাই) করে পিন রিসেট করতে পারবেন গ্রাহক। সর্বাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে গ্রাহকের বিকাশ অ্যাকাউন্টের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রকৃত গ্রাহককে আরো বেশি সক্ষম করে তুলতে সম্প্রতি এই সেবা চালু করেছে দেশের সবেচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল আর্থিক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান বিকাশ।

ধাপে ধাপে কিভাবে পিন রিসেট করতে পারবেন তা https://www.bkash.com/bn/pin-reset এই লিংকে ক্লিক করে জেনে নিতে পারবেন গ্রাহক।


বিকাশ অ্যাকাউন্টের সমস্ত লেনদেন সম্পন্ন করতে পারসোনাল আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (পিন) নম্বর প্রয়োজন। পিন নম্বর সুরক্ষিত এবং গোপন রেখেই বিকাশ অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব। বিকাশ গ্রাহকের পিন তিনি নিজেই সেট করে নেন, ফলে একজন গ্রাহকের পিন কেবল তিনিই জানেন। অর্থ্যাৎ পিন সেট করা হয়ে গেলে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে তা সুরক্ষিত হয়ে যায় এবং কারো পক্ষেই বিকাশ সিস্টেম থেকে ঐ পিন জানার কোন সুযোগ থাকে না। তাই পিন ভুলে গেলে গ্রাহকের সেট করা আগের পিন ফিরিয়ে দেয়ার কোন সুযোগ নেই। 


গ্রাহক পিন ভুলে গেলে নতুন একটি অস্থায়ী( টেম্পোরারি) পিন রিসেট করে আবার গ্রাহককেই পিন রিসেট করার সুযোগ  দেয় বিকাশ। সাধারণত কাস্টমার কেয়ার সেন্টারের ফোন নম্বর ১৬২৪৭, বিকাশ ফেসবুক পেজ এর লাইভ চ্যাট অপশন এবং ইমেইল এর মাধ্যমে যথাযথ তথ্য দিয়ে নতুন পিন রিসেট এর জন্য অস্থায়ী পিন পেতে পারেন গ্রাহক। 


বিকাশের নতুন এই সেবায় গ্রাহক এখন ইউএসএসডি চ্যানেল *২৪৭# ডায়াল করে নিজেই নিজের অ্যাকাউন্ট ভেরিফাই করে অস্থায়ী পিন পেয়ে যাবেন। *২৪৭# ডায়াল করে ৯ নম্বর অপশনের পিন রিসেট ডায়াল করতে হবে। পরের ধাপে জাতীয় পরিচয়পত্র/ড্রাইভিং লাইসেন্স/পাসপোর্ট যে পরিচয়পত্র দিয়ে অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে সেই নম্বরটি দিতে হবে। পরের ধাপে জন্ম সালের চারটি সংখ্যা দিতে হবে। এরপর গ্রাহককে বিগত ৯০ দিনের মধ্যে তার করা শেষ ১০টি আউটগোয়িং ট্রানজেকশনের যেকোন একটির তথ্য দিতে হবে। আর যদি শেষ ৯০ দিনের মধ্যে কোন আউটগোয়িং ট্রানজেকশন না করে থাকনে তাহলে ‘নো ট্রানজেকশন’ অপশন নির্বাচন করবেন।  গ্রাহকের দেয়া সব তথ্য সঠিক থাকলে তিনি পাঁচ সংখ্যার অস্থায়ী পিন পেয়ে যাবেন।


এরপর *২৪৭# ডায়াল করে অথবা বিকাশ অ্যাপ থেকে নিজেই নতুন পিন রিসেট করে নিতে পারবেন গ্রাহক। 


অস্থায়ী পিন এসএমএস-এ পাবার পর বিকাশ অ্যাপে পিন রিসেট করতে লগইন পেজ থেকে ‘পিন ভুলে গিয়েছেন’ বাটনে ট্যাপ করতে হবে। এরপর বিকাশ অ্যাকাউন্ট নম্বর দিতে হবে। পরের ধাপে ওয়ান টাইম পাসওর্য়াড (ওটিপি) এবং অস্থায়ী পিন দিয়ে গ্রাহক নিজের পছন্দ অনুসারে এলোমেলো পাঁচ সংখ্যার নতুন পিন দিয়ে আর একবার রিএন্টার করে সফলতার সাথে পিন রিসেট করে নিতে পারবেন। 


ইউএসএসডি চ্যানেলে পিন রিসেট করতে *২৪৭# ডায়াল করে মাই বিকাশ থেকে ‘চেঞ্জ মোবাইল মেন্যু পিন’ নির্বাচন করতে হবে। পরের ধাপে পুরাতন পিন চাইলে অস্থায়ী পিন নম্বরটি দিতে হবে। এরপর গ্রাহক নিজের পছন্দ অনুসারে পাঁচ সংখ্যার নতুন এলোমেলো পিন দিয়ে আর একবার রিএন্টার করে সফলতার সাথে পিন রিসেট করে নিতে পারবেন।


নগদ একাউন্টের পিন ভুলে গালে যা করণীয়,, নতুন পিন পাবার নিয়ম।


 নগদ একাউন্টের পিন ভুলে গালে যা করণীয়,, নতুন পিন পাবার নিয়ম।

নগদ একাউন্টের পিন ভুলে গেলে নতুন পিন বা পাসওয়ার্ড পাওয়া নিয়ম খুবই সহজ।বেস কয়েকটি উপায় রয়েছে নতুন পিন রিসেট,(reset nagad pin code)করার।,,তবে আমারা সবচেয়ে সহজ নিয়মটি দেখিয়েছি।ফলে আপনি কয়েক মিনিটের মধ্যে নতুন পিন পেতে পারেন,,

তাই আমাদের এই পোস্টটি শেষ পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পড়ুন এবং নিছের ধাপগুলো অনুসরণ করুন।

প্রথমে আপনাকে nagad কাস্টমার কেয়ারে কোল করতে হবে।তাই আপনার ফোন  নাম্বার থেকে নগদ হেল্পলাইনে কল করুন,09609-616167🎧 তবে একটা বিষয় অবশ্যই খেয়াল রাখবেন। চেষ্টা করবেন যে নাম্বার থেকে  nagad Account খোলা হয়েছে সেই নাম্নার থেকে কল দিতে।কল দেয়ার পর আপনি আপনার সমস্যার কথা বলুন-,আপনি ছাইলে এই ভাবে বলতে পারেন-আমি আমার নগদ একাউন্টের পিন ভুলে গেছি?অথবা আপনি নিজের মত করে বলতে পারেন তাতে সমস্যা নেই তারা আপনাকে সাহায্য করবে।যে কেউ আপনার একাউন্টের পিন বা  পাসওয়ার্ড রিসেটের জন্য রিকুয়েস্ট পাঠাতে পারে।তাই আপনি আসল ব্যাক্তি কিনা তা বোঝার জন্য নগদ আপনার কাছে কিছু তথ্য জানতে চাইবে।টেনশ্নের কিছুই নেই।তারা আপানাকে খুব সহজ কিছু প্রশ্ন করবে। যেমন আপনার মা-বাবার-নাম?আপনার জন্ম তারিখঃঠিকানা ইত্যাদি। অথবা তারা আপনার নগদ একাউন্টের সর্বশেষ  লেনদেনের পরিমান জানতে চাইতে পারে।অথবা পরুনো মেসেজ থেকে তা জানতে পারেন তবে মনে রাখবেন আপনার ন্যাশ্নাল আইডি কার্ড এই তথ্য গুলো যেভাবে আছে সেই ভাবেই বলতে হবে।অথবা অন্য কোনো ডুকুমেন্ট দুয়ে একাউন্ট খুললে সেই অনুযায়ী বলতে হবে।যেমন ড্রাইভিং লাইসেন্স  পাসপোর্ট ইত্যাদি। আপনি চাইলে আইডি কার্ডটি সামনে রেখে কল দিতে পারেন তাতে আপনারই  বলতে সুবিধা হবে।

❤️তিতুন পিন নাম্বার সেটাপ করুন❤️,,সঠিক তথ্য প্রধান করলে নগদ আপনাকে সাথে সাথে একটি মেসেজ সেন্ড করবে। সেই মেসেজ একটি টোকেন কোড থাকবে।এই টোকেন ব্যাবহার করেই আপনি নতুন পিন নাম্বার সেটাপ করতে পারবেন।এজন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে পারেন।(১,প্রথমে ৬সংখ্যার টোকেন নাম্বারটি মনে রাখুন বা কপি করুন,২তারপর *167# ডায়াল করতে হবে,3এখন Enter new pin নামে একটি অনশন আসবে সেখানে ৬সংখ্যার টোকেন নাম্বারটি দিতে হবে।,৪তারপরা আবার প্রায় একই অপশন  আসবে সেখানে আপনি নতুন পিন নাম্বার হিসাবে যা রাখতে চাচ্ছেন তা দিতে হবে।৫,সাধারণও এই পিন নাম্বার চার সংখ্যা হয়ে থাকে।তবে কোনো ক্রমিক সংখ্যা দেওয়া যাবে না।৬,পরিশেষে পুনরায় উক্ত পিন নাম্বার দিয়ে কনফ্রাম করুন।এই ধাপ সমহ অনুসরণ করে আপনার নগদ একাউন্টের পিন ভুলে গেলেও নতুন পিন নাম্বার সেটাপ করতে পারবেন,, তবে পিন নাম্বার মনে রাখা বুন্ধিমানের কাজ। তাই অথবা চাইলে পিন নাম্বারটি সেফ কোনো ডায়রি বা খাতায় লেখে রাখা,ধ্যনবাদ,,(নগদ নাম্বার ☎️16167,,,,,☎️09609616167)





https://www.facebook.com/uzzal.rajvor/videos/1883507885153328/


শুক্রবার, ৪ জুন, ২০২১

বাংলাদেশের মেয়ে এখন ফেইসবুকে!

 বাংলাদেশের মেয়ে এখন ফেইসবুকে!



শেরপুরের কন্যা যোগ দিলেন ফেসবুকে। ময়মনসিংহ বিভাগের শেরপুর জেলার মেয়ে"জারিন ফাইরুজ মুন"। তিনি বর্তমানে কাজ করছেন বিশ্বের অন্যতম  বড় ও সেরা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম "ফেসবুকে"।


জারিন ফাইরুজ মুনের ছোট থেকেই বেড়ে উঠা শেরপুর শহরেই। শেরপুর শহরের গৌরিপুরে তার বাসা। ২০০৮ সালে শেরপুরের স্বনামধন্য "দিশা প্রিপারেটরি এন্ড হাই স্কুল" থেকে এস এস সি এবং ২০১০ সালে "শেরপুর সরকারি কলেজ" থেকে এইচ এস সি পাশ করেন।


এরপর তিনি ভর্তি হোন খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়( কুয়েটে)।সেখানে তিনি কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা করেন। কুয়েটে পড়াশোনা অবস্থায় শ্রম ও মেধায়, খুব কম বয়সেই তিনি অনেক সাফল্য অর্জন করেছেন। তিনি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় টপার,পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক, পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় স্বর্ণপদক, পেয়েছেন কুয়েটে শিক্ষকতারও সুযোগ।এখানেই শেষ নয়,দেশের বাইরেও তিনি সাফল্য ধরে রেখেছেন।

পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের "স্টোনি ব্রুক ইউনিভার্সিটিতে" পি এইচ ডির সুযোগ। বর্তমানে তিনি সেখানে পিএইচডিরত আছেন।

এ বছর (২০২১)মার্চে তিনি ফেসবুক থেকে, ফেসবুকের সিকিউরিটি  ইঞ্জিনিয়ারিং টিমে ইন্টার্ন হিসেবে কাজ  করার অফার পান। 

গত সপ্তাহে তিনি ফেসবুকে ইন্টার্ন হিসেবে জয়েন করেছেনে এবং কাজ করছেন ফেসবুকের সিকিউরিটি ইঞ্জিনিয়ারিং টিমে।


শেরপুর থেকে ফেসবুকে এ যাত্রা খুব সহজ ছিলনা তার জন্য। অনেক পরিশ্রম, মেধা ও অধ্যবসায় কাজে লাগিয়ে তিনি আজ এ সাফল্য অর্জন করেছেন। 


শেরপুরবাসী ও দেশের মানুষের জন্য এটা অনেক গৌরবের। হয়তো অনেকের কাছেই খবরগুলো অজানা যে, শেরপুর থেকে দেশে ও দেশের বাইরে অনেকেই অনেক ভালো ভালো প্রতিষ্ঠানে, ভালো পজিশনে কাজ করে যাচ্ছেন। 


শুক্রবার, ২৮ মে, ২০২১

সাইকোলজিক্যাল হ্যাকঃযা এর আগে কখনো কেউ বলেনি!

 ⭕সাইকোলজিক্যাল হ্যাক⭕


◽১..স্মার্ট


ফোন কেনার সময় কখনই ক্যামেরাটা গুরুত্ব দেবেন না। প্রসেসর এবং RAM এর গুরুত্ব সর্বাধিক। স্ক্রীনসাইজ ও খুব একটা গুরুত্ব রাখেনা। মনে রাখবেন আপনি ক্যামেরা অথবা TV নয়, মোবাইল ফোন কিনছেন।


◽২..যখন কারো সাথে কোনো বিতর্কে অংশ নেবেন তখন পুরো সময় নিজেকে ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করুন..... ঠান্ডা মাথায় বিতর্কে জয়লাভ করার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে


◽৩..কোন পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত মানসিক চাপের সৃষ্টি হলে চুইংগাম চিবতে পারেন; পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে


◽৪..যখনই কারো সাহায্য প্রয়োজন হবে সরাসরি তাকে বলুন "আমি আপনার সাহায্য চাই"। এতে অনেক দ্রুত কাজ হয়।


◽৫..কোন ব্যক্তি যদি আপনাকে অপমান করে আপনি শুধু তাকে অবহেলা করুন অথবা পারলে তার নকল করুন। কিন্তু কোনো অবস্থাতেই আপনি আপনার মেজাজ হারাবেন না এবং পরিস্থিতি কখনও আপনার হাতের বাইরে যেতে দেবেন না


◽৬..অনলাইন থেকে কোন জিনিস কিনতে চাইলে সেই জিনিসটাকে আপনার cart এ কয়েকদিনের জন্য সেভ করে রাখুন কিন্তু অর্ডার দেবেন না। কিছুদিনের মধ্যে দেখবেন এই জিনিসটির দাম বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কিছুটা কম হয়ে যাবে।


◽৭..কোনো নতুন জায়গায় ঘুরতে গেলে আপনি যদি ওই জায়গাটির সম্বন্ধে একটা সম্যক ধারণা চান তাহলে কোন চায়ের দোকানে চলে যান। চা খেতে খেতে এবং দোকানদারের সাথে কথা বলতে বলতে ওই জায়গার সম্বন্ধে মোটামুটি একটা ধারণা পেয়ে যাবেন


◽৮..আয়নার দিকে তাকিয়ে নিজেকে দেখুন এবং নিজের সাথে হাসতে থাকুন এবং নিজেকে বলুন "আমি নিজেকে পছন্দ করি" তাৎক্ষণিকভাবে এটি আপনার আত্মবিশ্বাস অনেক গুণ বাড়িয়ে দেবে


◽৯..আপনার ঘরে একটি নীল বাতি রাখুন। এটি আপনাকে শান্ত থাকার প্রয়োজনীয় হরমোন নিঃসরণে সাহায্য করবে


◽১০..আপনি যদি কোন দলের সাথে একসাথে থাকেন এবং জানতে চান কে আপনাকে সবথেকে বেশি পছন্দ করে তাহলে কোন হাসির মুহূর্তে দেখুন কোন ব্যক্তি আপনার দিকে হাস্যরত অবস্থায় তাকিয়ে রয়েছে! যখন কেউ মন খুলে হাসে তখন সে তার সবথেকে নিকট ব্যক্তির দিকেই তাকিয়ে থাকতে পছন্দ করে।


◽১১..যখন কেউ আপনার দিকে রাগান্বিত অবস্থায় তাকিয়ে আছে তখন শান্ত থাকার চেষ্টা করুন


◽১২..দুটো সিদ্ধান্তের মধ্যে কোন একটি কে পছন্দ করতে হলে কঠিনতর সিদ্ধান্তটি গ্রহন করুন। ভবিষ্যতে আফসোস করবেন না।


◽১৩..ইন্টারভিউ বোর্ডে যদি কোনো অজানা প্রশ্নের মুখোমুখি হন তাহলে তিন থেকে পাঁচ সেকেন্ডের মধ্যে জানিয়ে দিয়েন আপনি ওই প্রশ্নের উত্তর জানেন না। কোনরকম ভনিতা করবেন না। এতে আপনার ব্যক্তিত্বের প্রভাব বৃদ্ধি পাবে।


◽১৪..কোন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বসার এক ঘণ্টা আগে থেকে পরীক্ষার হলে ঢোকার আগের মুহূর্ত পর্যন্ত আপনি ওই কোম্পানি সম্বন্ধে শুধু ভাবতে থাকুন এবং চাকরিরত অবস্থায় ওই কোম্পানিতে আপনার অবস্থানের প্রতিচ্ছবি কল্পনা করুন। পরীক্ষার সময় আপনার ইতিবাচক মানসিকতা অনেকটাই বেড়ে যাবে।


▫️ শেয়ার করে আপনার সব বন্ধু বান্ধব দের জানিয়ে দিন

শনিবার, ২২ মে, ২০২১

Determine the risk of diabetes..

 


If you become male, the American Diabetes Association Risk Verification Examination will be your point 1. If the woman becomes a female zero point. In most cases, there is no symptom of diabetes in the beginning. Especially pre-diabetes or border line diabetes goes out of diagnosis for many days. But during timely diabetes and pre-diabetes, it can be kept in control through eating habits and lifestyle changes. The complexity can also be avoided. The American Diabetes Association has created a table, which means that someone can determine its diabetes at itself. As a result, considering the risk, you can check blood in time, do not have diabetes or pre-diabetes. It is known as the American Diabetes Association Risk Verification Test (ADA Risk Test). This test can be tested when Diabetes.org/socriskTest website. Let's see how the risk of diabetes is determined in this examination. Age: If your age is less than 40 years, then the point is zero. 1 point in the age of 40 years to 49 years. 2 points if age is between 50 and 59 years. And if you are sixty-six points. In this case, remember that the risk of diabetes increases with increasing age. Sex: Men's diabetes risk is more than women. So if you become male, the American Diabetes Association Risk Verification will be your point 1. If the woman becomes a female zero point. However, if the pregnancy diabetes is caught in women, Point 1 Point is zero if pregnancy diabetes. Family History: If you have diabetes in the blood of the family of the family, then your point 1 in the Verification of American Diabetes Association Risk Verification Examination. Point zero if diabetes is not family history. High blood pressure: Point 1 if you have high blood pressure. Point is zero if not. Working Labor: If you are physically active, ie regular exercise, walking, adequate physical labor, your point is zero. If not physically active, then point 1. Weight: According to physical height, your weight is normal if your BMI indicator is normal, then your point is zero. If a person's weight is less than 64 kg, then if a person's weight is less than 64 kg. Point 1 if weighs 64 to 83 kg. Point 2 if weighs 84 to 111 kg. If your weight is more than 112 kg, then the American Diabetes Association Risk Verification Examination in the Point 3. Additionally, ethnic identity is also to inform ethnic identity. If your total score is 5 or more, then you are at high risk of diabetes. In this situation, you must take necessary examinations and measures for doctor's advice.

শনিবার, ১৫ মে, ২০২১

বিবেকের গল্পঃঃ

 বিবেকের গল্প !!!

.............
সিগারেট টানছিলাম, পাশে কেউ গেঞ্জি ধরে টানলো। ঘুড়ে দেখলাম এক ৭-৮ বছরের একটা মেয়ে।

-ভাই ৫ টাকা দেন না।
-৫ টাকায় কি হবে ?
-ভাত খাবো।
-৫ টাকায় ভাত হয় ??
-অল্প করে খাবো।

-(speechless !!) কত টাকা হলে বেশি করে খাওয়া হবে ?
-৫০ টাকা। ভাত ১০ আর তরকারি ৪০।দিবেন ?
-হুম দিতে পারবো।
-এত টাকা দিবেন !! (চোখে মুখে বিস্ময়)তয় ভাত কিইনা দেওন লাগবোনা,একটা উপকার করেন।
-কি উপকার ?
-ঐ টাকার চাউল কিনে দেন। বাসায় নিয়ে যাবো। মা সহ খাবো।
-বাসায় কে কে আছে আর তোমার ?
-মা বুইন আর একটা ভাই। মা হাটবার পারেনা। বুবু কাজ করে। বড় ভাই চা এর দোকানে থাকে। আমি ভিক্ষা করি।
- তোমার বাবা ?
-ছাইড়া গেছে অনেক আগে, মনে নাই।
-হুম। পড়াশোনা কর না ?

-পড়লে ভিক্ষা করতাম কখন ? খাওন জুটবোনা।
১ কেজি চাউল আর কিছু ডিম কিনে দিয়ে বিদায় নিলাম। ৪ জনের সংসারে একদিন চলে যাবে।
খুব অদ্ভুত ভাবে বেড়ে উঠে ওরা।খুব অল্প বয়সেই জীবনকে বুঝে নিতে শেখে।

৭ বছরে যথসম্ভব আমি “ওয়ান” এ পড়তাম। এই বিকাল টাইম টাই Drawing করতাম। অবসরে ওটাই শখ ছিল। নিশ্চিন্তে Drawing করতাম। খাওন জুটবে কই থেকে এই চিন্তা অন্তঃত ছিলনা। “পড়লে খাওয়োন জুটবো কই থেকে” এই ধরণের প্রশ্নও মাথায় আসেনাই।এগুলো চন্তার জন্য বাবা-মা ছিল।৫ টাকায় আমি তো ছোটবেলায় কলম কিনেছি। আমার শিক্ষার উপকরণ। সে ৫ টাকায় ভাত খুজে। তার বেচে থাকার উপকরণ। যেই সিগারেট টা খাচ্ছিলাম তার দাম ১০ টাকা।

পথের ধুলোয় অদ্ভুত ভাবে বেড়ে উঠার মাঝেও তাদের মধ্যে বিবেকবোধ তৈরী হয়েছে। ৫০ টাকা্য হোটেল থেকে ভাত-তরকারি কিনে খাওয়ার থেকে বাসায় পঙ্গু মা আর ভাই বোন কে নিয়ে খাওয়া বেশি তৃপ্তিজনক সেই বোধও এই ৭-৮ বছরের অশিক্ষিত মেয়ের মাঝে তৈরী হয়েছে।

এর বয়সে রোজ সকালে আমি ভাবতাম আজ স্কুলে যেয়ে টিফিনে কি খেলব, কার পাশে বসবো, স্যারের কোন হোমওয়ার্ক আছে কিনা।আর এই মেয়েটা ভাবে রোজ সকালে “কোন রাস্তায় ভিক্ষা করলে বেশি টাকা পাবে” আর ৫০ টাকা আমাদের একদিন মোবাইলে খরচ যায় আর ওদের সবাই মিলে এক বেলা খাওয়া হয়ে যায়।

একই স্রষ্টার স্রিষ্টি আমরা দুইজনই। দুইজনই দুইজনের বাবা-মা এর সন্তান। স্রষ্টা চাইলে আমার আর স্থান টাও উল্টো হতে পারতো। আমরা ভুলে যাই সব।অনেক অহংকার আমাদের। গরীব দের মানুষ ভাবিনা। কখনও তাদের গায়ে হাত তুলি। কাছে আসলে রুমাল নাকে দিই।আমাদের ভাব ভঙ্গি এমন যে আজ আমাদের যা ভালো পজিশন এর ক্রেডিট আমাদের।অথচ স্রষ্টা চাইলে আজ সে চা খাইতো আর আমি গেঞ্জি টেনে ৫ টাকা চাইতাম অল্প করে ভাত খাওয়ার জন্য।

ভালো রেখেছেন স্রষ্টা সত্যিই অনেক। নিম্নবিত্ত এই মানুষ গুলোর জীবন বৈচিত্রের সাথে তুলনা না দেওয়া পর্যন্ত সত্যিই বুঝিনা আমি কতটা সুখে আছি, কতটা ভাল আছি…………

বুধবার, ১২ মে, ২০২১

Baby mental development: which need to know

 The child's mental development: Whatever you need to know, your one-and-a-year-old child has placed a lot of toys, thinking that the baby will play this. But you saw that he was playing, the Ulto threw


all the toys with all the things. Naturally you are a great bothered with the child. But this annoyance is not just for today's incident. Before you have noticed the child often gets what the hand is in hand, throws down with the window. Think of how you think your baby is so naughty! Now, if this situation is big, I do not know what! First, you are sure that your child is that of this activity, it's not just mischief. There is a specific scientific explanation. Secondly, after the baby is grown, you can still be sure about this incident. Big and 6 months, maybe your child will start something new and new anxiety will be involved in your life! And all of this is part of your child's mental development. According to the principles of mental development: According to Swiss psychologist Ja Piaz, a child goes through different steps of mental development until a child is born and only after a step is completely completed, only she can enter the next step. According to Piaz, the primary level of mental development is formed through some precise mental process or 'Mental Schema'. This Schema is a lot like a computer software, through which a man can manage, analyze, analyze and manage different events of nature (computer data). For example, if you give a ball in the six-month-old child, he will first put the ball in the face. Because of this, the birthplace of a child is born with a child's mother-in-law that grown with Mental Schema, as a result of his face or the hand of what is given in the mouth. Then the question may come to be that the child's nature is not there anymore? Because of this, the mental development of the child is not stopped at a level, according to Piaz's theory, it crossed different levels at different age and finally gets full emotional maturity. And some changes, modifications or additions of their Mental Schema in each level occur; Piaj whose name gave assimilation and accomodation. Assimilation is already performing the action with the help of existing schemes. That is, in the above example, the child is in the mouth of the ball in the mouth, where he resolves the problem by using its existing schema (breast-milking). Again another child may identify flying squirrel to the zoo, because there is a schema of birds in his mind that 'whatever bird can fly.' On the other hand, the accomodation is to create some changes or additions to existing schemes or create a complete new schema. For example, the second child of the above example does not say that the flying squirrel directly "birds', if it says' Legal Birds', then it will be the schema addition. Again, if a big paper box is placed in the case of the first child, a big paper box is kept in the face that he can not take the box, he may start to push the box (new schema). In the same way, it can be interpreted in the same way that when we do not have a new computer, many software contains ally in it (Mental Schema). Later, with the help of those software, we can do some work directly (assimilation), again to work on some time, software is updated (accomodation). Mental Development Levels: As the basis of the Mental Schema, Ja Piaj divided mental development at four levels. ★ Sensorimotor Stage: It's the science from the age of 2 years since birth. From the name of Sensrimote, it is understood that the child gets ideas about various objects in the help of his sensory, meaning sensory and motor), that is, the help of various objects. Even after this lady kids want to increase their hands, want to taste the face, and threw the words again and hear the sound. At the same time, these age children started to simplify others. As a father's head, he wants to swing the head likewise, trying to make similar faces. Another interesting thing is 'Object Permanence' (Object Permanence). Since birth, there is a child's object permeal until 6 months old. This age is "What Can't Beee, Doesn't exist", that is, which does not exist in it. For this reason, you will be interested in the objects in front of these children's eyes. Whenever they remove, they will forget it. For a while, they will not want to find the object or do not want to cry if you do not find it. Slowly when the child is 8-11 months, then the objects develop the permanence. You can not remove anything easily from the eyes of these ladies' eyes, when they remove them and want to find it again. ★ Pre-operational Stage: This stage's deadline is 2-7 years old. Piaz actually mean 'Operational' or 'Operation', logical thinking (logical thinning). That means that this pre-operational stage is where this argument will not be there. That is, this stage can not give a logical explanation of the child to the child and do not understand any reason. This absence of Logical Thinking can be understood by some subjects such as 1. Egosentrism: Egocentrism: Children of the pre-operational stages are rotating everything in the world surrounds him; That's what he thinks or for him i
s right for everyone. For example, many children will see many children who will also have to sit in his own little chair or small bicycle. But he can not understand that one of the people can not sit in a chair or a cycle. Because of his ideas, he can sit in it or because of his favorite thing, so his father's mother will also sit in it. Two. LAW OF CONSERVATION: Suppose I pour two ml water in a glass glass in front of you. Then another glass shielded the equivalent water but the second glass is quite slim and longer than the first glass. Naturally, the height of the second glass of water will show more than the highest glass of water. Then if I ask you, Well there are more water in these two glasses? Will you answer? Surely you will say that there is no more, there are equivalent water. Because you know that there is no change or amount of things to change only when the space, tomorrow, the pot changes. But if I used to do this question of a child of pre-operational stage, he used to show me the second glass, 'It has more water.' Even if you put the first glass of water in front of him, then he will tell the same thing. That is, this 'Law of Conservation' has not developed it. ★ Concrete Operational Stage: 7-11 years of age children include this stage. This stage begins to come to logical thinking in the child. However, it also remains some restrictions. Because thinking or thinking is two- Concrete Thinking, ie the ability to think about those things that can be seen in front of the eyes. - Abstract Thinking the ability to think about abstract issues (such as anger, sorrow, love) in the eye. This concrete operational stage is made of logical thinking about the concrete of the child, so that the child's Igosentry is slowly moves slowly, develops the Conservation of the Conservation, and the child achieves specific ideas about external quality of an object ★ Formal Operational Stage: Formal Operational Stage is the next period of life from 11 years to start. In this stage, a man enters a child from children to a child, and as well as his thoughts continued to be like the elderly. Concrete Thinking is associated with eBustruct Thinking, consequently, consequently produces any hypothesis and analyzing its trial and the ideas of different human emotions, feelings etc. That is, this formal operational stage is the beginning of entering the world of an adult man's thought. One thing needs to be remembered, there is no stroke rules in the range of ranges that have been provided in Ja Piaz's stages. The child's mental development is very good, he may go very fast from one stage to the next stage. Again, whose development is somewhat slowly, he may reach a little late than others. But fast or late, every child gained
his full mental development through each stage, it is said in Piaz. Why do you know Do you think you can come to know how to get so hard theory of Ja Piaz? Well, not about gain, not a little bit. Before that, see one thing, we all know our parents' physical development of our children. In a bio, the child of the child becomes, when the child will sit, when we all are all aware of them. And the child's physical development we know about this development is less about the mental development of the child. And so we get rid of a year's baby toy or three-year-old baby resolves sitting on his bicycle. Yes, it is true that many children have behavioral problems, which is necessary for a problem for the problem. But you can identify the child's problematic behavior only when you know about its normal behavior. Infact Ja Piazi himself also monitored his three children and gave this theory of Cognitive Development. "Each Time One Prematurely Teaches A Child Something He Could Have Discovery Himself, That Child Is Kept From Inventing It And Consequ --- Jean Piaget So today you do not prevent your child without interrupting your child, be helpful to the child's beautiful mental development and enjoy her childhood. Dr. Mahabuba Rahman Resident Child and Adolescent Psychiatry Bsmmu.

মঙ্গলবার, ১১ মে, ২০২১

বাবরি মসজিদে প্রথম হামলাকারীর গল্প

 বাবরি মসজিদে প্রথম হামলাকারীর গল্প


১৯৯২ সালে বাবরি মসজিদ ভেঙে ফেলা হয়। মসজিদে প্রথম হামলাকীরর নাম হলো বলবীর সিং। 

বলবীর সিংয়ের জন্ম ভারতের হারিয়ানার পানিপথে। পানিপথ ছিলো উগ্র হিন্দুত্ববাদী মানুষদের দিয়ে পূর্ণ। তার নিজের ভাষায়-

“কলেজে পড়ার সময়ই আমার সাথে অনেক উগ্রবাদী ছাত্রের সাথে পরিচয় হয়। তারা আমার মনে মুসলিমদের বিরুদ্ধে ঘৃণা আর হিংসার বিষবাষ্প ঢুকিয়ে দিয়েছিলো”। 

এভাবে ছাত্রাবস্থায়ই তিনি জড়িয়ে পড়েন উগ্র হিন্দুত্ববাদী দল শিবসেনার সাথে। শিবসেনার যে দলটা বাবরি মসজিদ ধ্বংস করেছিলো বলবীর সিং ছিলেন সে দলের প্রধান। মসজিদ ভাঙার স্মৃতি নিয়ে তিনি বলছেন- 

“ আমি তীব্র বেগে আমার কুঠার দিয়ে মসজিদের গম্বুজে আঘাত করলাম। আকাশ বিদীর্ণ করে আওয়াজ তুললাম ‘ভগবান রামের জয়”। 

এরপর সবাই বলবীরের নামে জয়োধ্বনি দেয়া শুরু করে। রাতারাতি তিনি বিখ্যাত হয়ে যান।কিন্তু তার আদর্শবান পিতা তাকে ত্যাজ্য করেছিলেন। তার পিতা এজন্য নিজের শেষকৃত্য মুসলিমদের রীতিতে করাতে বলেছিলেন।  

মসজিদ গুড়িয়ে দেয়ার কিছুদিনের মধ্যেই একটা ঘটনা ঘটলো। বলবীরের এক সাথি যোগেন্দ্র বাবরি মসজিদের ভাঙা দুটো ইট এনে তাতে সবাইকে প্রস্রাব করতে বলে! এমনটা করার কয়েকদিনের মাথায় দেখা যায় যোগেন্দ্র বদ্ধ উন্মাদের মতো আচরণ করতে শুরু করে। একেবারে উলঙ্গ হয়ে যায়। এমনকি তার নিজের মা কে পর্যন্ত ধর্ষণের চেষ্টা করে! 

কিছুতেই কিছু করতে না পেরে যোগেন্দ্রের পরিবার এক ইমামের কাছে গেলে ইমাম তাদের জন্য দুয়া করেন এবং তাদের ইসলামের দাওয়াত দেন। তারা ইসলাম কবুলও করেন। আশ্চর্যজনকভাবে, খুব দ্রুতই যোগেন্দ্র সেরে উঠে। 

এই ঘটনার দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বলবীর সিং ও তার পরিবার অনেক চিন্তাভাবনা করে নিজেরাও ইসলাম গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়। 

এবার শুনুন তারা এখন কি করছে, তাদের মুখেই-

“ আমাদের লক্ষ্য অন্তত ১০০ মসজিদ সংস্কার ও নতুন করে ১০০ মসজিদ নির্মাণ করা। …প্রতিবছর ৬ ডিসেম্বর আমরা অন্তত একটা মসজিদ সংস্কার ও নির্মাণ করি। এই সেই দিন, যেদিন বাবরি মসজিদ আমরা নিজ হাতে ভেঙেছিলাম”। 

আল্লাহ যাকে হিদায়াত দেন তাকে গোমরাহ করে কে?


শনিবার, ৮ মে, ২০২১

জাপানঃনারীবাদ ধ্বংস করছে যাদের!

 জাপানের পুরুষেরা এখন জৈবিক চাহিদা মেটানোর জন্য সেক্স ডলের শরণাপন্ন হচ্ছে। প্রতি বছর দেশটিতে প্রায় দুই হাজারের মতো 'সেক্স ডল' বিক্রি হয়, দাম অন্তত ছয় হাজার ডলার।


৪৫ বছর বয়সী মাসায়ুকি ওজাকি তার সেক্স ডল সম্পর্কে বলেন,

"সে সবসময় জেগে আছে, আমার জন্য অপেক্ষায় আছে এটা মনে করে আমি নিরাপদ বোধ করি.."


পাগলের প্রলাপ মনে হচ্ছে? 

বিয়ে না করে সেক্স ডলের ভালোবাসায় মজে যাওয়ার কারণ কি?

তাহলে কি জাপানের পুরুষরা Mass Schizophrenia বা Mass Paraphilia তে আক্রান্ত হচ্ছে?


চলুন মাসায়ুকি ওজাকির মুখ থেকেই শুনি,


"জাপানি মেয়েরা নির্মম হৃদয়ের, স্বার্থপর। পুরুষেরা চায় এমন কেউ তার পাশে থাকুক যে তার পাশে থাকুক, কাজ থেকে আসার পর যার সাথে সুন্দর সময় কাটানো যায় এমন কেউ। সেক্স ডলের সাথে আমি তেমনটা করতে পারি"। [1]


ঠিক ধরেছেন। দেশটিতে নারীবাদের কালো থাবা পড়েছে। ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজড দেশটির কর্পোরেট নারীরা আর বিয়ে করতে আগ্রহী নয়। বিয়ে করলে বাচ্চা হবে, কাজের ক্ষতি হবে। আর বৈবাহিক জীবনে সময় দিতে গিয়ে ক্যারিয়ারও ঠিকমতন হবেনা। আর ওদিকে পুরুষ তো এগিয়ে যাচ্ছে, কাজেই তাকেও ধরতে হবে। সুতরাং , জাপানী নারীদের সহজ সমাধান হল: নো বিয়ে, নো বাচ্চা, অনলি ক্যারিয়ার। ক্যারিয়ার গড়তে গড়তে ৩৫ বছর, কাজেই পরে আর বিয়ের বয়সও নেই। কাজেই কোন বিয়ে না করেই জীবন পার করে দিচ্ছেন জাপানী নারীরা। জনসংখ্যার বিশাল অংশ।


এর ফল জাপানকে বেশ ভালোভাবেই ভোগ করতে হচ্ছে।


নারীরা বাচ্চা নিতে অনাগ্রহী হওয়ায় জাপান এখন জনসংখ্যার সমস্যায় ভুগছে। জাপানে এখন ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধের সংখ্যা মোট জনসংখ্যার ৩৩%। বুড়োদের দিয়ে ভরে গেছে দেশটা। সেখানে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার এখন শুন্যের নিচে নেমে গেছে, -০.২%! [2] এভাবে চলতে থাকলে একসময় জাপানি জাতিটাই পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে যাবে।


তার উপর বিয়ে না করায় জাপানে পরিবার গঠন হচ্ছে না। ফ্যামিলি লাইফ না থাকায় হতাশায় ভুগছে সেখানকার মানুষ। ফলে আত্মহত্যার হার বৃদ্ধি পেয়ে মহামারী আকার ধারণ করেছে। [3]


জাপানের চোখ ধাঁধানো ৫ ট্রিলিয়ন ডলারের জিডিপি দেখে তাদেরকে সুখী ভাবার কোনো কারণ নেই। কারণ নারীবাদ দেশটিকে ভেতর থেকে ধ্বংস


করে দিয়েছে। 


That's why, feminism is toxic!


References :

[1] https://www.bbc.com/bengali/news-40473138

[2] https://www.statista.com/statistics/270074/population-growth-in-japan/

[3] https://en.m.wikipedia.org/wiki/Suicide_in_Japan



শুক্রবার, ৭ মে, ২০২১

ধার্মিক সেজো না, ধার্মিক হও!!


 ধার্মিক সেজো না, ধার্মিক হও 🤲

জাপানে রাস্তার মোড়ে মোড়ে কোনো মসজিদ নেই, রাত জেগে ওয়াজ নেই, নসিহত নেই, ধর্মীয় স্কলার নেই, মাজার নেই, ওরশ নেই, পীর নেই, মুরিদ নেই, কুতুব নেই, তাবলীগ নেই, আমরা শ্রেষ্ঠ জাতি বলেও কোনো বাগাড়ম্বর নেই। এগুলো ছাড়াই জাপান একটা সুশৃঙ্খল জাতি।


গত ত্রিশ বছরের মধ্যে কোনো দূর্নীতি নেই, কোনো ঘুষ নেই, কোনো ধর্ষণ নেই, স্কুলে কোনো ছাত্রকে বেত্রাঘাতের রেকর্ড নেই। কোনো কাজের জন্য কোনো ফাইল আটকে পড়ার নজির নেই। কারো সুপারিশ ছাড়া কোনো ছাত্র স্কুলে ভর্তি হতে পারছেনা, কারো প্রমোশন হচ্ছেনা- এমন দৃষ্টান্তও নেই। দলীয় ভাবে জাপানের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো শিক্ষকের নিয়োগের নজিরও নেই। রাস্তায় পড়ে থাকা বুভুক্ষু মানুষও নেই। আছে শুধু কর্মনিষ্ঠা, শৃঙখলা। 


ভূমিকম্পের সময় সব খাবার ক্যাম্পে রেখে দেয়া হয়েছিলো। নিজের প্রয়োজনের চেয়ে বেশি কেউ একটা রুটিও নিয়ে যায়নি। ত্রান কেন্দ্রে একজন প্রহরীকেও পাহারাদার রাখতে হয়নি। লাইন দাঁড়িয়ে সবাই যার যার মতো প্রয়োজনীয় খাবার নিয়ে গেছে। লাইন দাঁড়ানো শেষ ছেলেটির হাতে খাবার প্যাকেট দেয়ায় -সে সেই প্যাকেট আবার লাইনের সামনে রেখে এসেছে। যদি তার সামনে দাঁড়ানো কারো খাবার কম পড়ে যায়। 

জাপানে কোনো কালো বাজারি দ্রব্যের দাম বাড়িয়ে মানুষকে জিম্মি করেনা। কেউ খাবারে ভেজাল মেশায় না। রাস্তাঘাট গুলো এতো ঝকঝকে পরিষ্কার। নিজের চেহারা রাস্তায় দেখা যায়। শুধু বয়স্ক কিংবা যুবকরা না একজন শিশুও জাপানের রাস্তায় যেখানে সেখানে ময়লা ফেলে রাখেনা। কোনো প্রোগ্রাম এক মিনিট দেরিতে শুরু হয় না। এক মিনিট ট্রেন লেট করেছিলো বলে - পত্রিকার পাতায় ক্ষমা চাওয়া হয়েছিলো। 


টেকনোলজি আর ডেভেলপমেন্টে জাপান পৃথিবী থেকে দশ বছর এগিয়ে আছে। পুরো পৃথিবীর খাবার ফুরিয়ে গেলেও জাপানে আগামি ত্রিশ বছরের জন্য খাবার মজুদ আছে। বোমায় কয়লা হয়ে যাওয়া জাপান পুরো দুনিয়ার গাড়ীর বাজারে নেতৃত্ব দিচ্ছে। অথচ, জাপানে ভার্চুয়ালি কোনো ন্যাচারাল রিসোর্স বলতে কিছুই নেই। 


জাপানের মানুষের মাঝে আছে শুধু বিনয় আর বিনয়। আর ক্ষমা প্রার্থনা। অবসরে যাওয়া জাপানি প্রধানমন্ত্রী বারবার বলছেন- কি করতে পেরেছি তার জন্য দয়া করে গুণ কীর্তন করবেন না। বরং যা করতে পারিনি সেটার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করছি। দু হাত একসাথে করে- জনগনের সামনে মাথা নীচু করে (যেটা জাপানি কালচার) বারবার ক্ষমা চাচ্ছিলেন জাপানের বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী সিনজো আবে। 


রোজার মাস চলে এসেছে দেখবেন রোজার আগমনে অন্যান্য মুসলিম দুনিয়া শান্ত হয়ে আসছে। মানুষের মাঝে একটা ভাবগম্ভীর পরিবেশ তৈরি হচ্ছে। কিন্তু আমাদের দেশে শুরু হবে কেনা কাটার মচ্ছব। যার দুই কেজি পিঁয়াজ দরকার সে কিনবে বিশ কেজি। যার এক কেজি চিনি দরকার সে কিনবে দশ কেজি। এমন করে খাবার মজুদ করা শুরু হবে যেন সারা বছর না খেয়ে ছিলো। রোজার পরও আর কোনোদিন খাবার খাবোনা। দুনিয়ার সব খাবার এই ত্রিশ দিনেই খেয়ে শেষ করতে হবে। এই সুযোগে পবিত্র রমজানের ব্যানার টাঙ্গিয়ে দ্রব্য মূল্যের দাম বাড়িয়ে ব্যবসায়ীরাও অপবিত্র কাজ করা শুরু করে দিবে। 


আমাদের মোড়ে মোড়ে এতো এতো মসজিদ, মাঠে মাঠে এতো ওয়াজ, গলিতে গলিতে এতো মাজার হওয়ার পরও পরিবর্তন হচ্ছে না কেন? ধর্মের দোষ দিচ্ছিনা, মসজিদেরও না, মাজারেরও না। শুধু আত্মসমালোচনা করছি।

বৃহস্পতিবার, ৬ মে, ২০২১

প্রবাসীদের রেমিটেন্স কোথায় খরচ হয়?

 প্রবাসীদের রেমিটেন্স কোথায় খরচ হয়?



বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থাকে প্রতিটি দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একাউন্টে। সাধারণত আমদানি রপ্তানির জন্য মুদ্রার বিনিময় হয়ে থাকে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন মুদ্রা। তাই সকল দেশ একটি স্বতন্ত্র মুদ্রা ব্যবহার করে আমদানি রপ্তানির দায় মেটানোর জন্য। এজন্য সবাই মার্কিন ডলার ব্যবহার করে। 


মূল কথা হচ্ছে কীভাবে বিদেশে থাকা প্রবাসীদের টাকা তাদের পরিবারের কাছে পৌঁছায়। প্রথমে বিদেশে থাকা প্রবাসীরা সেই দেশের মুদ্রায় তাদের বেতন পায়। যেমন সৌদি আরব থাকলে রিয়াল পায়। সেই রিয়াল তারা সেই দেশের ব্যাংকে জমা দেয়। সেই ব্যাংক রিয়ালকে ডলারে রুপান্তরিত করে প্রবাসীদের দেশের নির্দিষ্ট ব্যাংক হিসেবে পাঠায়।


 সুতরাং আমাদের দেশের ব্যাংকে জমা হয় মার্কিন ডলার। কিন্তু প্রবাসীদের পরিবারের দরকার হচ্ছে টাকা। কারণ দেশে টাকা চলে ডলার নয়। তখন দেশীয় ব্যাংক সেই ডলার নিয়ে যায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে। যেমন বাংলাদেশ ব্যাংক। কারণ বাংলাদেশ ব্যাংকের শুধু ক্ষমতা আছে ডলার ক্রয় করে টাকা দেওয়ার।


 ধরা যাক সোনালী ব্যাংকের কাছে প্রবাসীদের ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিটেন্স এসেছে। সোনালী ব্যাংক সেই এক বিলিয়ন মার্কিন ডলার বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে জমা দিয়ে ডলার অনুপাতে ৮৫০০ কোটি টাকা এনে সেগুলো প্রবাসীদের পরিবারের কাছে পরিশোধ করবে। 


ঠিক তখনই বাংলাদেশ ব্যাংকের একাউন্টে রিজার্ভ এর পরিমাণ ১ বিলিয়ন ডলার বাড়বে।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক যে ডলার রেখে টাকা দিচ্ছে তাহলে বাংলাদেশ ব্যাংক টাকা কোথায় পায়?? বাংলাদেশ ব্যাংক টাকা ছাপায়। এই ক্ষমতা শুধু তারই আছে। সেই ছাপানো টাকা দিয়ে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ডলার ক্রয় করে।


সবসময় কি টাকা ছাপিয়ে ডলার কিনে??


না। বছরে সর্বোচ্চ ২০/৩০(আনুমানিক) হাজার কোটি টাকা ছাপায়। কারণ অর্থনীতির আকার বৃদ্ধির ফলে বাজারে তরল টাকার চাহিদা বৃদ্ধি পায়। তাই ততটুকু পরিমাণে টাকা ছাপায়। এর বেশি টাকা ছাপানো হলে টাকার মান কমে যাবে। তবে  বাংলাদেশ ব্যাংক ডলার কিনে ৩০/৪০ বিলিয়ন ডলারের প্রতি বছর।


 তাহলে এত টাকা কোথায় পায়?? 


আসলে বাংলাদেশ ব্যাংক শুধু ডলার ক্রয় করেনা। বিক্রিও করে। যখন আমরা বিদেশ থেকে পণ্য আমদানি করি তখন কিন্তু বিদেশে অর্থ পরিশোধ করতে হয়। তখন যিনি টাকা পরিশোধ করবেন তিনি বানিজ্যিক ব্যাংক এ গিয়ে টাকা জমা দেন। বানিজ্যিক ব্যাংক সেই টাকা নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক এর কাছে জমা দিয়ে ডলার নেয়। এবং সেই ডলার পণ্য বিক্রেতার একাউন্টে পাঠিয়ে দেয়। অথবা এভাবে বলা যায় বানিজ্যিক ব্যাংক সেই টাকাকে ডলারে রুপান্তরিত করে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট জমা দেয়। বাংলাদেশ ব্যাংক সেটি পণ্য বিক্রেতার একাউন্টে পাঠিয়ে দেয়। এভাবে অতিরিক্ত ডলার গুলো আমদানির দায় পরিশোধে ব্যবহৃত হয়।


বাংলাদেশের রিজার্ভ এত বৃদ্ধি পাওয়ার কথা নয়। আজকে রিজার্ভ ৪৫ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে। কারণ একই সাথে রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বিদেশ থেকে প্রচুর রেমিটেন্স এসেছে। সেই তুলনায় আমরা পণ্য আমদানি করিনি। আমাদের রপ্তানির চেয়ে কিন্তু আমদানি অনেক বেশি। সেই হিসেবে আমাদের ডলার ঘাটতি থাকার কথা। কিন্তু প্রবাসীদের রেমিটেন্স আসার ফলে সেগুলো ব্যবহার করে আমদানি দায় মেটানো হয়। 


খুব সংক্ষেপে উদাহরণ হিসেবে আমাদের রপ্তানি ৩৫ ডলার কিন্তু আমদানি ৬০ ডলার। তাহলে ঘাটতি ২৫ ডলার। এই ২৫ ডলারের মধ্যে ২০ ডলার রেমিটেন্স আসতেছে। তবুও ঘাটতি ৫ ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতি বছর ৩ ডলার ছাপে(সমপরিমাণ টাকা)। তবুও ঘাটতি ২ ডলার। প্রতি বছর বিদেশি বিনিয়োগ আসতেছে ৬ ডলার। এখন ঘাটতি কাটিয়ে উদ্বৃত্ব ৪ ডলার। এই ৪ ডলার করেই রিজার্ভ প্রতি বছর বৃদ্ধি পাচ্ছে। 


অবশেষে একটি কথা। 

প্রবাসীদের রেমিটেন্স দেশের জন্য ভিক্ষা নয়। অনেকে এমনটাই মনে করতেছেন। অনেকে মনে করতেছেন এই টাকা বিভিন্ন সরকার দল চুরি করে। সেটাও ভিত্তিহীন। আপনার টাকা আপনার পরিবার পায়। আপনার রেমিটেন্স দিয়ে দেশের উপকার হচ্ছে। সেটা হলো ডলার আসায় সরকারের আমদানি দায় মেটানো সহজ হচ্ছে। নয়তো ডলারের ঘাটতি থাকলে বাংলাদেশ ব্যাংক বেশি বেশি টাকা ছেপে সব ডলার ধরে রাখতো। ফলে জিম্বাবুয়ের মতো মুদ্রাস্ফীতি দেখা দিতো।


©

একে কি বলে একাকিত্ব নাকি স্বাধীনতা!?

 যখন সকালে ঘুম ভাংগানোর কেউ নেই, রাতে বাড়ি ফিরলে অপেক্ষায় কেউ বসে নেই, তুমি যা মন চায় করতে পারো, কোনো পিছুটান নেই.... একে কি বলে একাকীত্ব না...